জানে রাখুন হঠাৎ প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন !!

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন – হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।
তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।
৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।
৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।
৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?
ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।

মানবদেহে রক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০।

অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।
মাসিকের সময় যে ৭টি খাবার নারীর জন্য অতি জরুরী! জেনে রাখা ভালো…
আমাদের দেশে মেয়েরা অনেক বড় বড় অসুখও যেখানে লজ্জায় লুকিয়ে রাখেন, সেখানে পিরিয়ডের সময় খাওয়া দাওয়ার দিকে মনযোগ দেয়ার ব্যাপারটা তো কারো মাথাতেই আসবে না। তবে সত্যটা হচ্ছে, পিরিয়ডের এই ৩-৫ দিন অনেকটা রক্ত বের হয়ে যায় শরীর থেকে, আর তাই অবশ্যই শরীরের চাই বিশেষ খাবার।

১/ পানি –
একথা ভুলে গেলে চলবে না যে কেবল রক্তপাত নয়, সেই সাথে শরীর হারাচ্ছে অনেক খানি তরল। আর এই অভাব পূরণ করতে পান করতে হবে প্রচুর পানি। না, পানীয় নয়। সাধারণ পানি। চা, কফি, কোলা ইত্যাদির চাইতে অনেক বেশী স্বাস্থ্যকর সাধারণ পানি। হালকা কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন, এতে পেট ব্যথায় আরাম হবে।

২/ মাছ –
বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এবং এগুলো পিরিয়ড চলাকালীন শরীরের ক্ষয় পূরণ করে এবং ব্যথা কমাতেও ভূমিকা রাখে। পিরিয়ডের সময় মাছ খেতে ভুলবেন না যেন। সামুদ্রিক মাছ খেলে আরও ভালো।

৩/ কলা –
হ্যাঁ, কলা। মাসিকের দিনগুলিতে কলা খেতে ভুলবেন না একেবারেই। কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস, যা মাসিকের সময় আপনার জন্য জরুরী। এই কলা মাসিকের বিষণ্ণতা কমাতেও সহায়ক। তাছাড়া পিরিয়ডের সময় অনেক নারীই ডায়রিয়াতে ভুগে থাকেন, যা দূর করতে সাহায্য করবে এই কলা।

৪/ লাল মাংস –
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয় পিরিয়ডের সময়ে, যা পূরণ করবে লাল মাংস। চর্বি ছাড়া লাল মাংস অবশ্যই রাখুন খাবারের তালিকায়, সাথে রাখুন প্রচুর সালাদ। শরীর থাকবে সুস্থ।
৫/ বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার –
বাদাম ভর্তি নানান রকম ভিটামিন ও মিনারেলে যা পিরিয়ডের সময় শরীরের জন্য ভালো। তবে খেয়াল রাখবেন, বাজারের বাড়তি লবণে ভাজা বা চিনিতে জড়ানো বাদাম খাবেন না। চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি তো খেতে পারেনই। সাথে বীজ কুমড়ার বীজ সহ নানা ধরণের বীজ রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়।

৬/ ডার্ক চকলেট –
পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন কয়েক টুকরো ডার্ক চকলেট হতে পারে আপনার জন্য দারুণ উপকারী। ডার্ক চকলেটে চিনি নেই, ফলে ওজন বাড়বে না। বরং আছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম। এই চকলেট পিরিয়ড চলাকালীন বিষণ্ণতাও দূর করবে।

৭/ সবুজ শাক –
সবুজ শাক ও সালাদের পাতা জাতীয় খাদ্য এই মুহূর্তে আপনার সবচাইতে বেশী প্রয়োজন। এতে আছে প্রচুর আয়রন, যা শরীরের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করবে। অবশ্যই প্রতি বেলার খাবারে রাখুন সবুজ পাতা, যেমন- বিভিন্ন ধরণের শাক ও সালাদ লিফ।

হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক; অতঃপর…
কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার প্রবাসী মিজানের সঙ্গে দীর্ঘ ৪ বছরের প্রেম ছালমা আক্তারের। দুই বছর আগে বিদেশ থেকে এসে বিয়ে করার কথা বলে কুমিল্লার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে মিজান। এরপর আবার দেশের বাইরে চলে যায়। সম্প্রতি দেশে ফিরে সালমাকে বিয়ে না করে অন্য মেয়েকে বিয়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মিজান।
বিয়ে করছে এমন সংবাদ পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে ছালমা। তাই বাধ্য হয়ে বিয়ের দাবিতে এখন অনশন করছেন সালমা।

স্থানীয় মেম্বারকে বিষয়টি জানানোর পরও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই উপায় না পেয়ে আত্মহত্যার জন্য প্রস্ততি নিয়ে একটি চিরকুট লিখেন। ব্যাগে বিষ নিয়ে নিজের ভালবাসার স্বীকৃতির জন্য রবিবার (২১ জানুয়ারি) সকালে প্রেমিক মিজানের বাড়িতে ছুটে যান ছালমা। সেখানে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। এ ঘটনায় তরুণীকে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ৩নং রসুলপুর ইউনিয়নের জিন্নত গ্রামে। মিজান জিন্নত গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। তবে মিজান সকাল থেকেই নিখোঁজ আছেন।
তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ছালমা আক্তার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৩নং রসুলপুর ইউনিয়ন এর জিন্নতপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে অনশন করেছে। সে দেবিদ্বার মহিলা কলেজের ছাত্রী।

আরও পড়ুন : ফাঁকা ক্লাসরুমে ছাত্রীকে একি করলেন প্রধান শিক্ষক!
ছালমা আক্তার জানান, আমাদের চার বছরের সম্পর্ক এবং মিজান বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। তবে কোন কারণ ছাড়াই সম্পর্ক ভাঙ্গতে যাচ্ছে। তাই আমি সব ছেড়ে এখানে চলে এসেছি।

সঙ্গে বিষের বোতল কেন এমন প্রশ্নের জবাবে ছালমা বলেন, বিয়ের কথা বলে কুমিল্লায় নিয়ে আমাকে নষ্ট করছে। এখন মরণ ছাড়া আমার কোন উপায় নেই। আমি বাবা-মা পরিবার সব ছেড়ে চলেছে এসেছি। সে যদি আমাকে মেনে না নেয় বিষ খেয়ে আত্মহত্যা ছাড়া কোনো উপায় নেই। ওই মেয়ের চিরকুটে মিজান নাম লেখা থাকলেও তবে সে এলাকায় সাদ্দাম নামে পরিচিত।

এ ঘটনায় ছেলের মা সেতরা বেগম জানান, আমার ছেলেকে খোঁজ করে পাওয়া যাচ্ছে না। ছেলেকে না পেলে তো এই সমস্যার সমাধান সম্ভব না। রবিবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৩ টা ১৭ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ছালমা আক্তার ছেলের বাড়িতেই অবস্থান করছে।
৩নং রসুলপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কামরুল হাসানের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিক বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিষের বোতল নিয়ে অনশনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম জানান, আমি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং বিয়ের জন্য ব্যবস্থা করতে বলেছি এবং আমি বিয়েতে উপস্থিত থাকব তাও বলেছি।

এ বিষয়ে দেবিদ্বার সার্কেল সিনিয়র এএসপি সেলিম মোহাম্মদ শেখ জানান, বিষয়টা জেনেছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন