ব্যাথা থেকে মুক্তি দেয় যে সকল প্রাকৃতিক খাবার

ব্যাথা থেকে মুক্তি – ব্যাথা একটি বিরক্তিকর অসুখ। বিভিন্ন কারণে মানুষের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা হতে পারে। যেমনঃ অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থেকে, বিছানায় ভুল ভাবে ঘুমানোর জন্য, হঠাৎ কোনো শারীরিক পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে এ ধরণের ব্যাথা হয়ে থাকে। এ সকল ধরনের ব্যাথার কারণে অনেকেই ঔষুধের উপরই অনেক বেশি নির্ভরশীল যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর, কারণ এতে থাকে অনেক ধরনের ক্যামিক্যাল। কিন্তু ঔষুধের বদলে বেশ কিছু খাবার খেয়েও শরীরের ব্যাথা উপশম করা যায়।

আদা:

আদা পাকস্থলীর জন্য ভালো কারন এটি হজমে সহযোগিতা করে। আদা শরীরের ব্যথা কমানোর জন্যে অনেক উপকারী ঔষুধ। স্পোর্টসম্যানদের অনেকেই ব্যাথা উপশমের জন্য খেয়ে থাকে। আবার বাতের ব্যাথায় আদা কেটে মধু মিশিয়ে রোগীকে খেতে দিলেও উপকার পাওয়া যায়। আদাকে তিলের তেলে গরম করে ঐ তেল গাঁটে বা জোড়ে মালিশ করলেও উপকার পাওয়া যায়।

স্যালমন:

স্যালমন শুধু স্বাস্থ্যকর ও মজাদারই না, এটি ব্যাথা উপশমেও অনেক কাজ করে। স্যালমন মাছের মধ্যে ওমেগা-৩ রয়েছে, যা স্বাস্থ্য ও মস্তিষ্কের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়া ওমেগা-৩ শরীরের ব্যাথা কমায়। বেশী করে স্যামন মাছ খেলে শরীরের ফোলা অংশগুলোও কমে যায়।

কফি:

গবেষণায় বেড়িয়ে এসেছে, কফি পান করলে ব্যায়াম জনিত ব্যাথা, মাসলের আঘাত ও মাথা ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। শুধু তাই নয় কফি মানসিক যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি প্রদান করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ কফিতে ১০০ থেকে ১৩০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন পাওয়া যায় যা ব্যাথা হতে মুক্তি দেয়।

চেরি:

অ্যাসপিরিন শরীরের ব্যাথা কমানোর জন্য একটি জনপ্রিয় ঔষুধ। কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, চেরি অ্যাসপিরিনের চেয়েও আরো বেশী কার্যকরী ঔষুধ। এই ফলের মধ্যে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা শরীরের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।

পুদিনা পাতা:

পুদিনা পাতায় মেনথল নামে একটি উপাদান আছে যা ধনুষ্টংকার রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এর তেল পায়ের কজ্বি ও গোড়ালীতে মালিশে ব্যথা উপশম হয়। এমনকি মাথা ব্যাথায় পুদিনা পাতা কপালে ঘষলেও ব্যাথা উপশম হয়।

কমলালেবু:

কমলালেবুর ভিটামিন সি কাশি ও শ্বাস জনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলা এবং অন্যান্য ফলমূল ও শাকসবজিতে পাওয়া যায় beta-cryptoxanthin, যা একটি প্রদাহ বিরোধী উপাদান। এটি শরীরের আরও অনেক উপকার করে অরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। প্রতিদিন কমপক্ষে একটি কমলা খান।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন