ঋতুস্রাব বন্ধ না হলেও হতে পারেন গর্ভবতী, কীভাবে বুঝবেন?

পরিকল্পিত হতে পারে। আবার আবেগের তোড়ে ভেসেও যেতে পারেন। সুরক্ষা ছাড়া যৌনতার পর ঋতুস্রাব সঠিক সময় না হলে অনেকের মাথাতেই গর্ভধারণের সম্ভাবনার চিন্তা সবার আগে আসে। কিন্তু কেবল ঋতুস্রাব না হওয়াই কি গর্ভধারণের সংকেত? নাহ, তা নয়। নারী শরীর আরও কয়েকটি পূর্বাভাস দেয় সন্তানের আগমনের।

স্ফীত বক্ষ- গর্ভে সন্তান এলে বক্ষে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। ফলে তা স্ফীত হয়ে ওঠে। একইসঙ্গে স্তনযুগল অতিরিক্ত স্পর্শকাতরও হয়ে ওঠে। কারও কারও ক্ষেত্রে সামান্য ব্যথা হতে শুরু করে।

খাদ্যাভ্যাস: গর্ভধারণ করলে মহিলাদের শরীরে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আসে। এর অন্যতম অঙ্গ খাদ্যাভ্যাস। নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি আসক্তি তৈরি হতে পারে। আবার অনেক প্রিয় খাবারে রুচি হারাতে পারেন। ঘন ঘন খিদে পেতে শুরু করে। কারণ আপনার শরীরে অন্য একজন বাস করছে।

ব্যথা: কেবল ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা হয়, এ ধারণা একদম ভুল। অনেক সময় গর্ভাবস্থাতেও ব্যথা হয় মহিলাদের। কারণ গর্ভের ভ্রুণটির বিস্তার হতে শুরু করে।

রক্তক্ষরণ: গর্ভবস্থায় একটু রক্তক্ষরণ হতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ ডিম্বানুটি যখন ইউটেরাসের সঙ্গে যুক্ত হয় তখন সামান্য রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে। তবে এই রক্তের রং ঋতুস্রাবের রক্তের তুলনায় একটু কম লাল হয়।

অবসাদ: গর্ভে সন্তান এলেই মহিলাদের শরীরের হরমোনের পরিবর্তন হয়। এর প্রভাবে অনেকেই মানসিক অবসাদের শিকার হন। তাই এই সময়টা হাসি-খুশি থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা।

বমি বমি ভাব: এটি গর্ভাবস্থার সময় খুবই স্বাভাবিক। সাধারণত ছয় সপ্তাহের পরই এমনটা হতে থাকে মহিলাদের। তবে অনেক ক্ষেত্রে তার আগেও হতে পারে। এর অনেক প্রতিকারও রয়েছে। এই সময় ভাল গন্ধ যুক্ত কিংবা টক স্বাদের কিছু কাছাকাছি রাখলে ভাল হয়।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন